বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘জনগণের স্বাধীনতা, জনগণের ভোটের অধিকার, জনগণের কথা বলার অধিকারের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এই ষড়যন্ত্র কারা করছে? এই ষড়যন্ত্র যারা করছে, তাদেরকে জনগণ একটি নামে ডেকে থাকেন। জনগণের পক্ষ থেকে তাদেরকে একটি নাম দেওয়া হয়েছে, ‘গুপ্ত’। জনগণ তাদের ‘গুপ্ত’ নামে ডাকে।’
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুর রাজেন্দ্রপুর কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘যখনই সময় হয় তারা রূপ বদলায়। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তারা রূপের পরিবর্তন করে। এরা যে শুধু রূপের পরিবর্তন করে তা নয়, জনগণকে অপমান করে।’
তিনি বলেন, ‘জনগণের ওপর তাদের আস্থা ও বিশ্বাস নেই। তার উদাহরণ- মেয়েদের নিয়ে গুপ্তদলের প্রধান অত্যন্ত নোংরা কথা বলেছে। তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করা যায় না। একাত্তরে তাদের ভূমিকা দেখেছে মানুষ।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা মুখে বলবে একটা, কাজ করবে আরেকটা। যারা নিজের দেশের মা-বোনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন, খারাপ কথা বলে, তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করা যায় না। যারা অনৈতিকভাবে কাজ শুরু করেছে, তারা কীভাবে সৎ লোকের শাসন দেবে, সেই প্রশ্ন-ও তুলেন তারেক রহমান।’
ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র নিয়ে চলমান ষড়যন্ত্রকে ১২ তারিখে রুখে দিতে পারলে ১৩ তারিখ থেকে দেশে জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।
তারেক রহমান ফরিদপুরকে বিভাগ করাসহ নানা দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি দেন।










