গত কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় এক ডজনের বেশি দেশে সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই সামরিক জোর প্রদর্শনের উদ্দেশ্য কতটা ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আর কতটা ইসরায়েলের জন্য প্রতিরক্ষা তা নিয়েও প্রশ্ন আছে।
এসব সামরিক স্থাপনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি অবস্থিত কাতারে। ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঘাঁটিতে রয়েছে হাজার হাজার মার্কিন সেনা এবং বহু যুদ্ধবিমান। এটি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক বিমান অভিযানের প্রধান কেন্দ্র।
আরও পড়ুন
বাহরাইনে রয়েছে দুটি বিমানঘাঁটি ও একটি বৃহৎ নৌঘাঁটি, যা পারস্য উপসাগরের নৌপথ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর কুয়েতে একটি বিমান ঘাঁটি এবং দুটি সেনা ঘাঁটি রয়েছে। ইরাক যুদ্ধের সময় কুয়েত ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান লজিস্টিক কেন্দ্র। এ ছাড়া মার্কিনিদের একটি বিমান ঘাঁটি ও দুটি নৌঘাঁটি রয়েছে আমিরাতেও। হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নামে এই ঘাঁটি স্থাপন করেছে তারা।
সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমান ঘাঁটি, দুটি নৌঘাঁটি এবং একটি সেনা ঘাঁটি রয়েছে। ইরানবিরোধী কৌশলে এই ঘাঁটিগুলোর কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়। আর ওমানে আছে চারটি বিমান ঘাঁটি এবং একটি নৌঘাঁটি। এসব ঘাঁটি ইরান সীমান্তের একেবারে কাছেই অবস্থিত।
এসবের পাশাপাশি ইরাকে বর্তমানে প্রায় ২,৫০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। সিরিয়াতেও প্রায় ২,০০০ সেনা রয়েছে। এসব স্থাপনা ইরান ও রাশিয়ার প্রভাব মোকাবেলায় ব্যবহৃত হচ্ছে বলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষভাবে আলোচিত হচ্ছে।











