কৃষক ঘরের সাদ্দাম যেভাবে হয়ে ওঠেন প্রতাপশালী প্রেসিডেন্ট

Saddamhussain

ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের পুরো নাম সাদ্দাম হোসেন আবু আল মাজিদ আল তিকরিতি। দুই দশকের বেশি সময় ধরে কঠোর হাতে ইরাক শাসন করেছেন তিনি। ১৯৭৯ সালের ১৬ জুলাই থেকে ২০০৩ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত ছিলেন ইরাকের রাষ্ট্রপতি।

সাদ্দাম হোসেন ১৯৩৭ সালের ২৮ এপ্রিল পূর্ব বাগদাদের তিকরির কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। আজ তাঁর ৮৮তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৫৭ সালে তিনি নিষিদ্ধ বাথ পার্টিতে যোগ দেন। ১৯৭৯ সালের জুলাই মাসে তিনি ইরাকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হবার পর ইরাকের রাষ্ট্রপতি ও বাথ পার্টির প্রধান হিসেবে সাদ্দাম হোসেন আরব জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে ধর্ম নিরপেক্ষ ও আধুনিক ইরাক গড়ে তুলতে প্রয়াস নেন।

আরও পড়ুন

এসময় সাদ্দাম হোসেন ইরাকে এক দলীয় শাসন কায়েম করেন এবং ইরানের সঙ্গে ৯ বছরের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন (১৯৮০-১৯৮৮)। তার মতে ইরাকের স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধের সকল পক্ষকে নির্মুল করার উদ্যোগ নেন তিনি। ইরাক-ইরান যুদ্ধের পরে ১৯৯১-এ সাদ্দাম উপসাগরীয় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৯০ সালে তাঁর নির্দেশে ইরাক কুয়েত দখল করে নেয়। ১৯৯১ সালের প্রথম দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে যৌথবাহিনী কুয়েত দখল মুক্ত করে।

পাশ্চাত্য এবং অনেক ইরাকির চোখে তিনি নিষ্ঠুর একনায়ক আর ভয়ংকর মানবাধিকার লঙ্ঘণকারী রাষ্ট্রনায়ক। যদিও সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো আজও প্রমাণিত হয়নি। প্রহসনের বিচারে সাদ্দামের ফাঁসি তাই ইতিহাসের এক নির্মম ট্রাজেডি।