২০২১ সালে আফগানিস্তানের ক্ষমতা নেওয়ার পর নারীদের স্কুলে গিয়ে উচ্চশিক্ষার পথ বন্ধ করে দেয় তালেবানের যোদ্ধারা। তবে মাদরাসাগুলোতে তাদের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়। যেখানে তারা ইসলামিক বিষয়গুলো নিয়ে উচ্চশিক্ষা নিতে পারেন। তালেবান সরকারের এই অবস্থানের পক্ষে কথা বলেছেন ইসলামিক স্কলার ডাঃ জাকির নায়েক।
তিনি বলেছেন, তালেবান নারীদের শিক্ষা সীমিত করে দিয়েছে, কারণ সেখানকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি ভালো নয় এবং মেয়ে শিক্ষার্থীদের পড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত নারী শিক্ষকও নেই। ফলে তাদের এ সিদ্ধান্ত ঠিক আছে।
আরও পড়ুন
জাকির নায়েক বলেন, “মিডিয়ায় যেসব তথ্য প্রকাশ করা হয় তার সবগুলো সত্য হয় না। যদি সঠিক শিক্ষক না থাকায় কেউ শিক্ষায় দেরি করে, তাহলে এতে কোনো সমস্যা নেই। আফগানিস্তানে মেয়েদের ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ আছে। কিন্তু নিরাপদ পরিবেশ এবং পর্যাপ্ত নারী শিক্ষক না থাকায় তাদের উচ্চশিক্ষা বন্ধ আছে। তবে আফগান নারীরা ইসলাম শিক্ষা এবং শরিয়াহ বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি এবং পিএইচডি করছে।”
সামাজিকমাধ্যমে তার এ বক্তব্য নিয়ে অবশ্য সরব হয়েছেন তার বিরোধীরা। তারা বলছেন, জাকির নায়েক আফগান তালেবানের এ সিদ্ধান্তকে বৈধতা দিচ্ছেন।










